মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি শঙ্কা; মন্ত্রণালয় বলছে, সংকট নেই
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতূহল বেড়ে গেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে কত তেল আছে এবং তা কতদিন চলবে—এই প্রশ্ন ঘুরেফিরেই উঠছে।
দেশের বড় অংশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আমদানির ওপরই নির্ভরশীল বাংলাদেশ। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলো মূল সরবরাহকারী। তবে দেশের রিজার্ভ ক্ষমতা বছরে চাহিদার পুরো অংশ একসঙ্গে মজুত করার সুযোগ দেয় না। তাই তেল নিয়মিত চালান আনা হয় এবং ব্যবহার অনুযায়ী সরবরাহ চলে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় মার্চ থেকে তেলের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে। আগের বছরের মাসভিত্তিক চাহিদার হিসাব অনুযায়ী এই মুহূর্তে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানাচ্ছে, এই চক্র অনুযায়ী এপ্রিল মাসেও তেলের কোনো সংকট হবে না। দেশের ডিজেলের একাংশ ভারত, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর থেকেও আমদানি করা হচ্ছে।